অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা

পৃথিবীর অনেক মানুষ অতিরিক্ত ঘামের সমস্যায় ভুগে থাকেন । ধরুন, আপনি কোন পার্টিতে সেজেগুজে, ভাল পোশাক পরে গিয়েছেন । কিন্তু কিছু সময় পরেই, অতিরিক্ত ঘামের কারণে আপনার সাজগোজ নষ্ট হয়ে যায় । সেই সাথে শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার আশঙ্কা থাকে । এমন অবস্থায় আপনাকে একটি বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় । ঘাম হওয়া একটি স্বাভাবিক বিষয় হলেও, অত্যধিক ঘাম হওয়া অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে । তাই সময়মতো অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ জানা জরুরী । আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আপনাদের সাথে অতিরিক্ত ঘামের কারণ, লক্ষন এবং অতিরিক্ত ঘামের চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব ।

হাইপারহাইড্রোসিস কী

হাইপারহাইড্রোসিস হল এমন একটি মেডিকেল কন্ডিশন, যেখানে একজন ব্যক্তি অতিরিক্ত ঘামেন । এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, নরমাল বা ঠাণ্ডা তাপমাত্রায়, এমনকি বিশ্রাম নেওয়ার সময়ও ঘামতে পারে । এই সমস্যাটি ঘটে যখন কোন ব্যক্তির ঘাম গ্রন্থি অতিরিক্ত মাত্রায় সক্রিয় থাকে । শরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় ঘাম হওয়ার কারণ ও ধরন সম্পূর্ণ আলাদা, যা নিয়ে আমরা আর্টিকেলের পরবর্তী অংশে আলোচনা করব ।

আসুন এখন জেনে নেয়া যাক হাইপারহাইড্রোসিস কত প্রকার ।

হাইপারহাইড্রোসিস কত প্রকার

অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা বা হাইপারহাইড্রোসিস সাধারণত দুই প্রকার । প্রথমটি হল প্রাইমারী হাইপারহাইড্রোসিস এবং দ্বিতীয়টি হল সেকেন্ডারি হাইপারহাইড্রোসিস –

  1. প্রাইমারী হাইপারহাইড্রোসিস – যখন ঘাম এমনিতেই হয় অর্থাৎ ঘাম হওয়ার পেছনে কোন রোগ দায়ী নয়, এমন অবস্থাকে প্রাইমারী হাইপারহাইড্রোসিস বলা হয় । এটি অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ ধরন । এই ক্ষেত্রে হাত, পা, বগল ও মুখ থেকে অতিরিক্ত মাত্রায় ঘাম বের হয় ।
  2. সেকেন্ডারি হাইপারহাইড্রোসিস- যদি অন্য কোনো সমস্যার কারণে বা কোন রোগের কারণে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা
    হয়, তখন তাকে সেকেন্ডারি হাইপারহাইড্রোসিস বলা হয় । এই ধরনের হাইপারহাইড্রোসিস সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের কারণে হয় ।

হাইপারহাইড্রোসিসের লক্ষণ – হাইপারহাইড্রোসিসের উপসর্গ

অতিরিক্ত ঘাম হওয়া নিজেই একটি উপসর্গ । তারপরেও ঘামের সময় আরও কিছু লক্ষণ দেখা যেতে পারে –

  • ভেজা অনুভব করা
  • বগলে আড়ষ্ট ভাব
  • সারা শরীরে ঘাম
  • অত্যধিক ঘামের সঙ্গে চুলকানি
  • শরীরের দুর্গন্ধ
  • অস্বস্তি অনুভব করা
আরও পড়ুনঃ উচ্চ রক্তচাপ কি ? উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ, চিকিৎসা এবং ঘরোয়া প্রতিকার

হাইপারহাইড্রোসিসের কারণ – অতিরিক্ত ঘাম কেন হয়

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ পুরোপুরি স্পষ্ট নয় । মনে করা হয় যে, পরিবারের কারও যদি এই অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার সমস্যা থাকে, তাহলে অন্য সদস্যদেরও এই সমস্যা হতে পারে । কখনও কখনও অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার পেছনে কিছু রোগ দায়ী, যাকে সেকেন্ডারি হাইপারহাইড্রোসিস বলা হয় । এই রোগগুলি অতিরিক্ত ঘামের কারণ হওয়ার সাথে সাথে ঝুঁকির কারণও হতে পারে ।

  • অ্যাক্রোমেগালি
  • উদ্বেগ-সম্পর্কিত অবস্থা
  • ক্যান্সার
  • নির্দিষ্ট ওষুধের ব্যবহার
  • শরীরে গ্লুকোজের অস্বাভাবিক মাত্রা
  • হৃদরোগ, যেমন হার্ট অ্যাটাক
  • থাইরয়েড
  • ফুসফুসের রোগ
  • মেনোপজ
  • পারকিনসনের সমস্যা
  • ফিওক্রোমোসাইটোমা হল এক ধরনের টিউমার যা অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিতে ঘটে
  • স্ট্রোক 
  • যক্ষ্মা বা অন্যান্য সংক্রমণ

হাইপারহাইড্রোসিস রোগ নির্ণয়

ঘামের সমস্যা কি কারণে হচ্ছে তা নির্ণয় করতে, একজন ডাক্তার কিছু টেস্ট করতে বলতে পারেন । নিচে তেমনই কিছু টেস্টের নাম দেওয়া হল –

  1. স্টার্চ-আয়োডিন টেস্ট – এই টেস্ট করার সময়, যেখানে বেশী ঘাম হয়, সেই জায়গায় আয়োডিনের দ্রবণ প্রয়োগ করা হয় ।আয়োডিন শুকিয়ে গেলে সেই জায়গায় স্টার্চ ছিটিয়ে দেওয়া হয় । অতিরিক্ত ঘামের জায়গায় স্টার্চ এবং আয়োডিনের সংমিশ্রণ থাকলে সেখানকার রঙ গাঢ় নীল থেকে কালো হয়ে যায় । এর মাধ্যমে যে অংশটি সবচেয়ে বেশি ঘামে তা ডিটেক্ট করা হয় ।
  2. পেপার টেস্ট – এই পরীক্ষাটি পরিচালনা করতে কাগজ বা পেপার ব্যবহার করা হয় । এক্ষেত্রে ঘামের জায়গায় একটি কাগজ দেওয়া হয়, যাতে কাগজটি ঘাম শুষে নেয় । তারপর সেই পেপারটির ওজন মাপা হয় । পেপারের ওজন মেপে বোঝা যায় যে শরীর থেকে কি পরিমাণ ঘাম ঝরছে ।
  3. রক্ত পরীক্ষা – অতিরিক্ত ঘামের জন্য চিকিৎসকরা রক্ত ​​পরীক্ষা করতে দিতে পারেন । থাইরয়েড বা অন্য কোনো ধরনের সমস্যা সন্দেহ করলে চিকিৎসকরা এই টেস্ট দিয়ে থাকেন ।
  4. ইমেজিং টেস্ট – অতিরিক্ত ঘামের কারণ যদি টিউমার হওয়ার সন্দেহ হয় তাহলে এই পরীক্ষা করা হয় ।

এই পরীক্ষাগুলি ছাড়াও, ডাক্তার ঘামের সমস্যা কি কারণে হচ্ছে তা নির্ণয় করার জন্য কিছু প্রশ্ন করতে পারেন । নিচে তেমন কিছু প্রশ্ন দেওয়া হল –

  1. অবস্থান – চিকিৎসক আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন, কোন জায়গায় বেশি ঘাম হয় । যেমন- মুখ, হাত, তালু, বগলে বা সারা শরীরে ।
  2. সময়ের প্যাটার্ন – অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা রাতে বা দিনে বেশী হয় নাকি হঠাৎ যে কোন সময় শুরু হয় ?
  3. ট্রিগার – যখন বিরক্তিকর কিছু ঘটে তখন কি ঘাম বেশি হয় ?
  4. অন্যান্য উপসর্গ – বিশেষজ্ঞ কিছু দিনের মধ্যে ঘটা আপনার শরীর সম্পর্কিত কিছু বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারেন । যেমন, ওজন কমেছে কিনা, হৃদস্পন্দন দ্রুত হচ্ছে কিনা, জ্বর এবং খেতে সমস্যা হচ্ছে কিনা ইত্যাদি ।

অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়

০১. ভিটামিন বি-১২ সমৃদ্ধ খাবার বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন । যেমন ডিম, দুধ, কলা, গাজর, টমেটো, মাছ, সবুজ শাক, কাঠ বাদাম ইত্যাদি ।

০২. ভিটামিন বি যুক্ত খাবার গ্রহন করুন । প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন বি ট্যাবলেট গ্রহণ করুন ।

০৩. বেশি করে পাকা ফলমূল যেমন- পাকা পেঁপে, আম, তরমুজ, কামরাঙ্গা ইত্যাদি খান ।

০৪. শারীরিক দুর্বলতার কারণেও ঘামের সমস্যা হতে পারে । তাই বেশী বেশী পুষ্টিকর খাবার, শাকসবজি এবং ফলমূল খান ।

০৫. আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন – এসপারাগাস, টারকি, গরুর মাংস, ব্রকোলি, যকৃত, সাদা পেঁয়াজ, কাঁচা লবণ ইত্যাদি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন ।

০৬. চায়ের মধ্যে থাকা টনিক এসিড প্রাকৃতিক ঘাম বিরোধী ওষুধ হিসেবে কাজ করে । তাই দেড় লিটার পানির মধ্যে ৫ টি টি-ব্যাগ মিশিয়ে সেটার মধ্যে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন । এছাড়াও গ্রিন টি পান করলে ঘামের সমস্যায় ভাল উপকার পাবেন ।

০৭. হাতে-পায়ে কোনও ধরনের পাউডার ইউজ করা থেকে বিরত থাকুন । কারণ পাউডার শরীর থেকে ঘাম দূর করার পরিবর্তে আরো বাড়িয়ে দেবে ।

০৮. কফি, ধূমপান প্রভৃতি থেকে বিরত থাকুন কারণ এগুলোর কারণে অতিরিক্ত ঘাম উৎপন্ন হয় ।

০৯. বেশি বেশি পরিমাণে পানি পান করুন । ঠান্ডা পানি দিয়ে হাত, মুখ, পা বারবার ধুয়ে ফেলুন।

১০. লবণ না মিশিয়ে শশা বা ক্ষিরা খান । এতে আপনার শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি থাকবে এবং সেইসাথে আপনার ঘামের সমস্যা কমে যাবে ।

আরও পড়ুনঃ পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়

হাইপারহাইড্রোসিস এর চিকিৎসা – অতিরিক্ত ঘামের চিকিৎসা

অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা দূর করার জন্য ডাক্তার নিম্নোক্ত চিকিৎসাগুলো সাজেস্ট করতে পারেন –

  1. অ্যান্টিপারসপিরেন্টস- অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে চিকিৎসকরা অ্যান্টিপারসপিরেন্ট ইউজ করার পরামর্শ দিতে পারেন । এটি ঘামের নালীগুলিকে বন্ধ করে দেয় । এটি সাধারণত আন্ডারআর্ম ঘামের জন্য ব্যবহৃত হয় । এটি ব্যবহারের ফলে অনেকের ত্বকে জ্বালা হতে পারে ।
  2. ওষুধ – হাইপারহাইড্রোসিস রোগ কমানোর জন্য চিকিৎসকরা বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করার পরামর্শ দিতে পারেন । ওষুধগুলো ঘামের গ্রন্থিগুলির এক্টিভিটি বন্ধ করতে সাহায্য করে । 
  3. আয়নোফোরেসিস – মুখের ঘাম বন্ধ করার জন্য আয়নোফোরেসিস ব্যবহার করা হয় । এই পদ্ধতিতে, বিদ্যুৎ এর মাধ্যমে ঘাম গ্রন্থিটি অস্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় । এই প্রক্রিয়াটি প্রায় ১০ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হয় ।
  4. বোটুলিনাম টক্সিন – এটিও এক ধরনের ঘাম কমানোর চিকিৎসা পদ্ধতি, যা গুরুতর আন্ডারআর্ম, তালু এবং তলগুলির ঘামের সমস্যা সমাধানের জন্য ইউজ করা হয় । এই অবস্থাকে প্রাইমারি অ্যাক্সিলারি হাইপারহাইড্রোসিস বলা হয় । এই ক্ষেত্রে, আন্ডারআর্মে বোটুলিনাম টক্সিন ইনজেকশন দেওয়া হয় ।
  5. এন্ডোস্কোপিক থোরাসিক সিমপ্যাথেক্টমি – ঘামের সমস্যা অতিরিক্ত বেশী হলে, সিমপ্যাথেক্টমি নামক এই অস্ত্রোপচার পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে । এই পদ্ধতিতে, অতিরিক্ত ঘামের জন্য শরীরে সিগন্যাল প্রেরণকারী স্নায়ুটি কেটে দেওয়া হয় । যাদের হাতের তালু অতিরিক্ত মাত্রায় ঘামে তাদের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসাটি বেশি করা হয় । এছাড়াও মুখে অতিরিক্ত ঘাম হলে এই ধরনের চিকিৎসা করা যেতে পারে । তবে যাদের বগল বেশী ঘামে তাদের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা কাজ করে না ।
  6. আন্ডারআর্ম সার্জারি – এই সার্জারিটি বগলে ঘামের গ্রন্থি অপসারণ করার জন্য করা হয় । এর জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিগুলির মধ্যে রয়েছে স্ক্র্যাপিং, লেজার এবং লাইপোসাকশন ইত্যাদি ।

হাইপারহাইড্রোসিসে কি খাবেন – কি খাবেন না

অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য প্রতিদিনের ডায়েটের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত । এমন পরিস্থিতিতে, সঠিক ডায়েট বেছে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

হাইপারহাইড্রোসিসে কি খাবেন

  • বেশী বেশী তরল পান করুন । বিশেষ করে, যেগুলোতে বেশী পরিমাণে ইলেক্ট্রোলাইট আছে ।
  • দুগ্ধজাত দ্রব্য যেমন পনির, দই এবং দুধ খান
  • তরমুজ এবং স্ট্রবেরি ফল খান
  • লেটুস পাতা, পালং শাক ইত্যাদি খেতে পারেন
  • বাদাম এবং কুমড়ার বীজ
  • ওটস এবং মিষ্টি আলু খান

হাইপারহাইড্রোসিসে কি খাবেন না –

  • বেশি মশলাদার খাবার খাবেন না
  • বেশি ভাজা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
  • চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহন করা থেকে বিরত থাকুন
  • চকোলেট খাওয়া এড়িয়ে চলুন
  • ফাস্ট ফুড খাবেন না
  • অ্যালকোহল পান করবেন না

অতিরিক্ত ঘাম প্রতিরোধের টিপস

শরীরের তাপ বৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা হয় । এমন অবস্থায় শরীরের তাপ কমিয়ে ঘামের সমস্যা কিছুটা হলেও কমিয়ে আনা সম্ভব । ঘাম প্রতিরোধ করার কিছু টিপস নিচে দেওয়া হল –

  • হালকা এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরুন
  • ঘরে সবসময় ফ্যান চালিয়ে বসুন
  • শুধুমাত্র সকালে বা সন্ধ্যায় ব্যায়াম করুন
  • বিকেলে বা দুপুরের রোদে খেলা থেকে বিরত থাকুন
  • বেশি করে পানি ও জুস পান করুন
  • খুব বেশী গরম খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন

শেষ কথা

শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম বের হয়ে যাওয়ার সমস্যা যে কারোই হতে পারে । এই সমস্যাটি এতটাই কমন যে, বেশীরভাগ মানুষ এটিকে উপেক্ষা করে । তবে এটি করা একেবারেই উচিত নয়, কারণ অনেক ক্ষেত্রে এটি কোনো না কোনো রোগের লক্ষণ হতে পারে । আপনার যদি মনে হয় যে, আপনি আগের থেকে বেশি ঘামছেন, তাহলে অবশ্যই একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন । আজকের আর্টিকেলে আমরা আপনাদের সাথে, অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ, লক্ষন এবং ঘাম কমানোর কিছু উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি । আর্টিকেলটি নিয়ে যে কোন ধরনের প্রশ্ন বা মন্তব্য থাকলে কমেন্ট সেকশনে জানান ।

Share on:

আমি অঞ্জন, এই সাইটটির প্রতিষ্ঠাতা। এই ব্লগে টিপস & ট্রিকস, অনলাইন ইনকাম, কম্পিউটার সমস্যা সমাধান সহ আরো অনেক কিছুর উপর সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দেওয়া হয়।

Leave a Comment