অলিভ অয়েলের উপকারিতা এবং চুলের যত্নে অলিভ অয়েল

বর্তমানে সময়ে, ফ্যাশন এবং স্টাইলের কারণে, আমরা আমাদের চুলে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পণ্য ইউজ করি । চুল স্ট্রেইট করা বা কোঁকড়ানো, রঙ করা এবং প্রতি মাসে নতুন নতুন চুলের স্টাইল করা, এক ধরনের স্ট্যাটাস সিম্বল হয়ে উঠেছে । এবং এইসব করতে গিয়ে আপনাদের চুলের গোঁড়া দুর্বল ও শুষ্ক হয়ে যায় । এছাড়াও চারপাশের দূষণের প্রভাবে চুল আরও বেশী প্রাণহীন হয়ে যায় । এমন অবস্থায়, চুলের জন্য প্রাকৃতিক ঘরোয়া প্রতিকারের চেয়ে ভালো অপশন আর কিছু হতে পারে না । তেমনই একটি ঘরোয়া প্রতিকার হল অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্ক । আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আপনাদের, অলিভ অয়েলের উপকারিতা এবং চুলের যত্নে অলিভ অয়েলের কী কী উপকারিতা রয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত বলব ।

অলিভ অয়েলের প্রকারভেদ – অলিভ অয়েল কত প্রকার

জলপাইয়ের ফল থেকে জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল বের করা হয় । এর পরে এটি ভিন্ন ভিন্ন পরিশোধন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায় । জলপাই তেল বা অলিভ অয়েলের প্রকারভেদ নিচে দেওয়া হল –

  1.  ভার্জিন অলিভ অয়েল: প্রতি কেজি ভার্জিন অলিভ অয়েলে ১৫০ থেকে ৪০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত পলিফেনল থাকে । পলিফেনল হল উদ্ভিদের খাবারে পাওয়া ফাইটোকেমিক্যাল । অলিভ অয়েলের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে । ভার্জিন অলিভ অয়েল হল অলিভ অয়েলের সবচেয়ে বিশুদ্ধতম রূপ (প্রিমিয়াম গ্রেড)।এর স্বাদ ও গন্ধ অন্যান্য অলিভ অয়েলের তুলনায় ভালো ।
  2. রিফাইন্ড অলিভ অয়েল: রিফাইন্ড অলিভ অয়েল হল সবচেয়ে নিম্নমানের অলিভ অয়েল । প্রতি কেজি পরিশোধিত বা রিফাইন্ড অলিভ অয়েলে ০ থেকে ৫ মিলিগ্রাম পরিমাণে পলিফেনল পাওয়া যায় ।
  3. অলিভ অয়েল: এই ধরনের অলিভ অয়েলকে, ‘খাঁটি’ অলিভ অয়েল বলে মনে করা হয় । এটি রিফাইন্ড এবং ভার্জিন অলিভ অয়েল একসাথে মিশিয়ে তৈরি করা হয়, যার কারণে এতে পুষ্টি মিডিয়াম পরিমাণে থাকে । প্রতি কেজি খাঁটি অলিভ অয়েলে ১০ থেকে ১০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত পলিফেনল পাওয়া যায় ।
  4. পোমেস অলিভ অয়েল: এটি অলিভ অয়েল এবং ভার্জিন অলিভ অয়েলের প্রথম পাল্প থেকে তৈরি করা হয় । প্রতি কেজি পোমেস অলিভ অয়েলে ১০ থেকে ৩০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত পলিফেনল পাওয়া যায় ।

চুলের জন্য আপনি খাঁটি অলিভ অয়েল বা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন, কারণ এই দুই ধরনের অলিভ অয়েলের গুণমান এবং পুষ্টিগুণ বেশী ।

চুলের জন্য অলিভ অয়েলের উপকারিতা

চুলের জন্য অলিভ অয়েলের কিছু উপকারিতা নিচে দেওয়া হল –

  • অলিভ অয়েলের মধ্যে থাকা অলিউরোপেইন নামক একটি উপাদান, চুলের বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে ( তথ্যসূত্র )।
  • অলিভ অয়েল মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করলে, চুলের গোঁড়া শক্ত হয় এবং চুল পড়ার সমস্যা অনেকটা কমে যায় 
  • অলিভ অয়েল চুল থেকে খুশকি দূর কতে খুব ভাল কাজ করে ( তথ্যসূত্র ) ।
  • অলিভ অয়েলের ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা শুষ্ক চুল এবং শুষ্ক মাথার ত্বকের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে ( তথ্যসূত্র ) ।
  • অলিভ অয়েল, চুলকে ফ্রি র‍্যাডিকেলের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে কাজ করে । সেই কারণে চুল কালো ও ঘন থাকে এবং অকালে চুল পাকার সমস্যা এড়ানো যায় ( তথ্যসূত্র ) ।
  • অলিভ অয়েলের ইমোলিয়েন্ট এবং তৈলাক্ত বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি ন্যাচারাল কন্ডিশনার হিসেবে ইউজ করা যেতে পারে ( তথ্যসূত্র ) ।
  • অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্ক ইউজ করলে স্প্লিট এন্ডের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে ( তথ্যসূত্র )।
আরও পড়ুনঃ চুল থেকে খুশকি দূর করার উপায়

অলিভ অয়েলের ব্যবহার – অলিভ অয়েল কীভাবে ব্যবহার করবেন

চুলের বৃদ্ধির জন্য আপনি অলিভ অয়েল বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করতে পারেন । চার থেকে পাঁচ চা চামচ অলিভ অয়েল হালকা গরম করে, মাথার ত্বকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় ধরে হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন । ম্যাসাজ করার পর ৩০ মিনিট রেখে পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন । গবেষণায় দেখা গেছে যে, মাথার ত্বকে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করলে চুলের গোঁড়া শক্ত হয়, চুল পড়ার সমস্যা কমে যায় এবং সেই সাথে চুল লম্বা ও ঘন হয় ।

আর্টিকেলের পরবর্তী অংশে জেনে নিন কীভাবে অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করে চুলকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন।

অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্ক

উপরে আপনারা জেনেছেন, কিভাবে অলিভ অয়েল নিজেই, চুলের কত ধরনের উপকার করে । কিন্তু আপনি কি জানেন যে, অন্যান্য কিছু উপাদানের সাথে অলিভ অয়েল মিলিত হলে এটি চুলের জন্য কতটা উপকার করতে পারে । চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, কিভাবে অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্ক ইউজ করবেন ।

অলিভ অয়েল এবং নারকেল তেল – দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে নিন । তারপর এই দুই তেলের মিশ্রনটি চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগান । এরপর মাথার ত্বকেও মিশ্রণটি ১০ থেকে ১৫ মিনিট ধরে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন । এরপরে, একটি পরিষ্কার তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এবং পরে তোয়ালে টি ভাল করে চেপে সমস্ত পানি ঝড়িয়ে নিন । এরপর সেই গরম তোয়ালে মাথায় জড়িয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন । সবশেষে শ্যাম্পু করে ঠান্ডা পানি দিয়ে মাথা এবং চুল ধুয়ে ফেলুন । এই প্রক্রিয়াটি প্রতি সপ্তাহে ২ বার করা যেতে পারে । নারিকেলের তেল হালকা হওয়ায় তা সহজেই চুলের গোড়ায় পৌঁছায় এবং চুলে আর্দ্রতা ও পুষ্টি জোগায় । নারকেল তেলে লরিক অ্যাসিড ( এক ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড ) থাকে, যা চুলে প্রোটিন ধরে রাখতে সহায়তা করে । প্রোটিন চুলের বৃদ্ধি এবং গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । প্রোটিনের অভাবের কারণে চুল পড়তে পারে ।

মধু এবং অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্ক – আধা কাপ মধু, এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ ভার্জিন অলিভ অয়েল, একটি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল একসাথে মিশিয়ে নিন এবং হালকা গরম করুন । এরপর চুলে শ্যাম্পু করে চুল হালকা শুকিয়ে নিন ।
এবার এই মিশ্রণটি চুল হালকা ভেজা থাকা অবস্থায়, চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগান । সমস্ত চুলে লাগানোর পর, শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট রেখে দিন । তারপরে শ্যাম্পু দিয়ে পুনরায় চুল ধুয়ে ফেলুন । এই প্রক্রিয়াটি প্রতি সপ্তাহে ১ বার করা যেতে পারে । মধুতে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে । এটি চুলের, খুশকি এবং চুলকানির সাথে সাথে চুল পড়ার সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে । এছাড়াও, এটি seborrheic ডার্মাটাইটিস এর মতো সমস্যা থেকেও মুক্তি দিতে সাহায্য করে । এইভাবে, আপনার চুল মধু এবং অলিভ অয়েল বা জলপাই তেলের হেয়ার মাস্ক থেকে উপকার পেতে পারে ।

ডিম এবং অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্ক – একটি বাটিতে, একটি সম্পূর্ণ ডিম (স্বাভাবিক চুলের জন্য)/দুটি ডিমের সাদা অংশ (তৈলাক্ত চুলের জন্য)/দুটি ডিমের কুসুম (শুকনো চুলের জন্য) নিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন । তারপর এতে ২ চা চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন । শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে, চুল হালকা শুকিয়ে নিন । এরপর চুল হালকা ভেজা থাকা অবস্থায় মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে, শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন । এই প্রক্রিয়াটি সপ্তাহে ১ বার করা যেতে পারে । ডিমে পেপটাইড নামক এক ধরনের যৌগ থাকে, যা চুলের বৃদ্ধি এবং গঠনে সাহায্য করে । ডিমের সাথে অলিভ অয়েলের হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করলে, চুল পুষ্টি পাবে এবং সেই সাথে চুল পড়াও বন্ধ হবে ।

অলিভ অয়েল এবং অ্যাভোকাডো হেয়ার মাস্ক – একটি পাকা অ্যাভোকাডো নিয়ে তা থেকে পাল্প বের করে ব্লেন্ডারে নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন । পেস্টটি যদি বেশি ঘন হয়ে যায় তাহলে তাতে ১-২ চা চামচ পানি মেশান । এরপর পেস্টটি একটি পাত্রে নিয়ে তাতে ১ চা চামচ অলিভ অয়েল মেশান । শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভাল করে ধুয়ে, পরে তোয়ালে দিয়ে চুল ভালো করে শুকিয়ে নিন । এবার সম্পূর্ণ চুলে অ্যাভোকাডো এবং অলিভ অয়েলের মিশ্রন বা পেস্টটি লাগান । পুরো চুলে এই পেস্ট ভাল করে লাগানোর পর শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ১ ঘন্টা চুল ঢেকে রাখুন । পরে ঠান্ডা পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন । এই পদ্ধতিটি সপ্তাহে এক বা দুইবার করা যেতে পারে । ভিটামিন ( এ, সি, ই), আয়রন এবং জিঙ্কের মতো পুষ্টির অভাবে চুল পড়ে যায় । এমন পরিস্থিতিতে, অ্যাভোকাডো এবং অলিভ অয়েলের হেয়ার মাস্ক প্রয়োগ উপকার পাওয়া যেতে পারে, কারণ এই সব গুলো পুষ্টি উপাদান অ্যাভোকাডোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে । এই হেয়ার মাস্ক চুল পড়া কমানোর পাশাপাশি, চুল নরম করতে সাহায্য করে ।

অলিভ অয়েল এবং কলার হেয়ার মাস্ক – প্রথমে একটি পাকা কলার খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে চটকিয়ে নিন । এবার একটি পাত্রে কলার পেস্টটি নিয়ে এক চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ভাল করে মেশান । এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে, একটি পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে চুল হালকা করে শুকিয়ে নিন । এবার এই পেস্টটি, চুল হালকা ভেজা থাকা অবস্থায় চুলে লাগান । এই পেস্টটি সম্পূর্ণ চুলে লাগানো হয়ে গেলে, শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ২০ মিনিট চুল ঢেকে রাখুন । পরে ঠান্ডা পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন । প্রতি সপ্তাহে ১ বার এই পদ্ধতিটি করতে পারেন । কলার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা চুলকে ফ্রি-র‍্যাডিক্যাল এবং সূর্যের ক্ষতিকর UV রশ্মি থেকে প্রোটেক্ট করে এবং এর প্রাকৃতিক চকচকে ধরে রাখতে সাহায্য করে । এছাড়াও, এতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম পাওয়া যায়, যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ( 14 )। এইভাবে চুলের জন্য অলিভ অয়েলের উপকারিতা দ্বিগুণ হয়ে যায় যখন কলার সাথে মিলিত হয়।

অলিভ অয়েল এবং মেয়োনিজ হেয়ার মাস্ক – এক চতুর্থাংশ কাপ মেয়োনিজ এবং এক চামচ অলিভ অয়েল একসাথে মিশিয়ে নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন । শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভাল করে ধুয়ে নিয়ে, একটি তোয়ালে দিয়ে চুল মুছে পেস্টটি সম্পূর্ণ চুলে লাগান ।
এরপর শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে আপনার চুল ৩০ মিনিটের মত ঢেকে রাখুন । সবশেষে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালমত ধুয়ে ফেলুন । সপ্তাহে একবার করে এই পদ্ধতিটি করতে পারেন । মেয়োনিজ হল এক ধরনের সস, যা কয়েকটি উপাদান মিশ্রিত করে তৈরি করা হয়, যেমন – ডিম এবং ভিনেগার ইত্যাদি । এই কারণে, এই সমস্ত উপাদানগুলিতে থাকা বৈশিষ্ট্য এতে পাওয়া যায় । উদাহরণস্বরূপ, ভিনেগারের অ্যান্টি-ইনফেকটিভ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ইনফেকশন থেকে মাথার ত্বককে রক্ষা করতে পারে । এছাড়াও, এতে ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা চুল পড়া কমিয়ে চুল ঘন করতে সাহায্য করে ।

নোট: মেয়োনিজ হেয়ার মাস্ক চুলে ইউজ করার আগে একবার প্যাচ টেস্ট করে নিন । আপনি যদি কোনও ধরনের জ্বালা বা চুলকানি অনুভব করেন তাহলে দ্রুত আপনার চুল ধুয়ে ফেলুন । আর অবশ্যই ঘরে তৈরি মেয়োনিজ ব্যবহার করবেন । বাজার থেকে কেনা মেয়োনিজ কোন অবস্থাতেই চুলে ইউজ করবেন না ।

আরও পড়ুনঃ চুলের যত্ন নেওয়ার ঘরোয়া উপায়

সতর্কতা

অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্ক ইউজ করলে আপনার চুলের উপকার হবেই, তবে আরও কিছু বিষয় মেনে চললে আপনি আরও বেশী সুবিধা পেতে পারেন ।

  • আপনার চুল যদি শুষ্ক হয়, তাহলে সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু ইউজ করুন । এটি আপনার চুলকে হালকা এবং নরম করতে সহায়তা করবে ।
  • সবসময় পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন । গরম পানি দিয়ে চুল পরিষ্কার করলে চুলের আর্দ্রতা কমে যেতে পারে ।
  • ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে ঘষে ঘষে চুল মুছবেন না ।
  • ব্লো-ড্রাই করার সময় ড্রায়ারটিকে আপনার চুল থেকে কমপক্ষে ১৫ সেন্টিমিটার দূরে রাখুন । 
  • হেয়ার মাস্ক ইউজ করার আগে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভাল করে ধুয়ে নিন । এতে করে চুলের সমস্ত ময়লা দূর হবে এবং হেয়ার মাস্কের পুষ্টি চুলের গোঁড়া পর্যন্ত পৌঁছে যাবে ।

শেষ কথা

অলিভ অয়েলের উপকারিতা জানার পর, আপনিও চাইলে অলিভ অয়েল আপনার চুলে ব্যবহার করতে পারেন । অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্কের সাহায্যে আপনি আপনার চুলের জন্য এমন সব পুষ্টি পাবেন যা আপনি স্বাভাবিক অয়েল থেকে নাও পেতে পারেন । তাই পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করা বন্ধ করে এবং উল্লেখিত হেয়ার মাস্ক গুলো ইউজ করার চেষ্টা করুন ।আর্টিকেলটি নিয়ে যে কোন ধরনের প্রশ্ন বা মন্তব্য থাকলে কমেন্ট সেকশনে জানান ।

Share on:

আমি অঞ্জন, এই সাইটটির প্রতিষ্ঠাতা। এই ব্লগে টিপস & ট্রিকস, অনলাইন ইনকাম, কম্পিউটার সমস্যা সমাধান সহ আরো অনেক কিছুর উপর সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দেওয়া হয়।

Leave a Comment