ব্লগিং কি? কেন? কিভাবে শুরু করবেন – ব্লগিং করে আয়

টাকা রোজগার করার জন্য মানুষকে অনেক কিছুই করতে হয়। কিন্তু আপনাকে যদি বলা হয় প্রত্যেক মাসে আপনি ৩০ থেকে ৫০ হাজারের বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন, শুধু একটা কাজ করে। জীবনের যা যা স্বপ্ন আছে তার প্রায় সবই পূরণ করতে পারবেন শুধু এই একটি কাজ করে। তারপর আবার সেই কাজটি যদি বাড়িতে বসে করা হয় এবং আপনি নিজেই বস হয়ে যান? আপনি অবশ্যই চাইবেন সেই কাজটি করতে। আজ আমি সেই কাজেরই পুরো ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব আপনাদের বোঝার মতো করেই, যাতে আপনারা পুরো বিষয়টি খুব সহজে বুঝতে পারেন।

বর্তমানে ব্লগিং হল অনলাইনে আয় করার একটি অন্যতম মাধ্যম। অনলাইনে যারা ইনকাম করতে আগ্রহী তাদের বেশিরভাগ আজ ব্লগিং করতে আগ্রহী । কিন্তু তাদের বেশিরভাগই জানেনা ব্লগিং কিভাবে শুরু করতে হয় বা কিভাবে একজন ভাল ব্লগার হওয়া যায় অথবা এটাই চিন্তা করে যাচ্ছেন ব্লগিং কিভাবে শুরু করবেন । যাই হোক আপনিও যদি ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করতে চান তবে এই পোস্টটি আপনাকে অনেক রকম ভাবে সাহায্য করবে। এই আর্টিকেলটিতে আমরা ব্লগিং এর বিভিন্ন ছোটখাটো বিষয় থেকে শুরু করে বিশদভাবে জানার চেষ্টা করবো।

ব্লগ কি ?

সহজ ভাবে বলতে গেলে ব্লগ বলতে বোঝায় ওয়েবসাইট। যদিও ব্লগ ও ওয়েবসাইটের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে কিন্তু বোঝার সুবিধার জন্য ব্লগ ও ওয়েবসাইট এক জিনিস হিসেবে মনে করা যেতে পারে। সাধারণত প্রত্যেকটি ব্লগের একটি টপিক থাকে যাকে ওই ব্লগটির নিশ বলা হয়।

ব্লগার (blogger)কারা ?

সাধারন ভাবে বলতে গেলে, যে সমস্ত মানুষ, বিভিন্ন রকম ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করে বিভিন্নি ধরনের বিষয়ের উপর আর্টিকেল প্রকাশ করে তাদের কে ব্লগার বলা হয়ে থাকে।

ব্লগিং কি ?

অনেক সময় আমরা বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানার জন্য গুগলে সার্চ করে থাকি। গুগল আমাদের সার্চের বিষয়ের উপর ভিত্তি করে অনেক গুলো ওয়েবসাইটের ঠিকানা আমাদের সামনে উপস্থাপন করে । যখন আমরা সেইসব সাইটগুলোতে ঢুকি তখন আমাদের সামনে বিভিন্ন রকম অনুচ্ছেদ আসে। এই গুলোই হলো আসলে এক একটি ব্লগ। ইন্টারনেটের বিশাল পরিধি ব্যবহার করে যে কোন কিছু লিখাই হল ব্লগ। এই যে আপনি এখন যে আটিকেলটি পড়ছেন সেটাও একটি ব্লগ। যে যেই বিষয়ে বেশি পারদর্শী, সে সেই সকল বিষয় নিয়ে ব্লগ তৈরী করে থাকে। যেমন অনেকে ভ্রমন কাহিনি লিখে, কেউবা রান্নার ব্লগ বানায়, কেউ গল্প লিখে । এভাবে যে যেটি সম্পর্কে ভাল জানে সে সেই বিষয় নিয়ে ব্লগ করে।

ব্লগিং এর জনক কে?

বিখ্যাত আমেরিকান প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ইভান উইলিয়ামস কে ব্লগিং এর জনক বলা হয়।

ব্লগিং এর ইতিহাসঃ

ইন্টারনেট জগতে “ব্লগ” অথবা Blog শব্দটির আবির্ভাব হয়েছে Weblog শব্দটি থেকে। Weblog শব্দটি ১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর সর্ব প্রথম ব্যবহার করা হয় । শব্দটির স্রষ্ট্রা বলা হয় মার্কিন নাগরিক জন বার্জার কে। এর ঠিক দুই বছর পরে ১৯৯৯ সালের এপ্রিল মাস এবং মে মাসের মাঝামাঝি কোন একটা সময়ে পিটার মহলজ নামের এক ব্যাক্তি Weblog শব্দটিকে ভেঙ্গে দুই ভাগে বিভক্ত করে Web এবং Blog এই শব্দ দুটোর তৈরি করেন । এর পরেই সমগ্রও পৃথিবীতে Blog বা ব্লগ বিষয়টি জনপ্রিয় হতে শুরু করে।

ব্লগিং এর প্রকারভেদ :

ব্লগ অনেক ধরনের হয়ে থাকে, নিচে কয়েকটি ব্লগের প্রকারভেদ আপনাদের কাছে তুলে ধরছি-

ব্যক্তিগত ব্লগ বা পার্সোনাল ব্লগ : নিজের ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল বিষয় নিয়ে লেখালেখি অথবা নিজের অর্জিত জ্ঞানকে অন্যের সামনে তুলে ধরার জন্য যে ব্লগ গুলো তৈরী করা হয় তাকেই মুলত ব্যাক্তিগত ব্লগ বলা হয়ে থাকে ।


নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ব্লগ: সাধারণট এই ধরনের ব্লগ বেশি দেখতে পাওয়া যায় যেমন টেকব্লগ, লাইফ স্টাইল ব্লগ, আর্ট ব্লগ, গানের ব্লগ, ফুড ব্লগ, বিনোদন মূলক ব্লগ (এই ব্লগ গুলোর মাধ্যমে সাধারণত মানুষ অর্থ উপার্জন করে থাকে।)


প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ বা কোম্পানী ব্লগ: বিভিন্ন কোম্পানির সমস্ত ইনফরমেশন বা তথ্য নিয়ে তৈরি করা ব্লগ গুলোকে কোম্পানী বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ বোলে ।


সামাজিক ব্লগ: সমাজের বিভিন্ন ধরনের বিষয় নিয়ে যেমন- মানুষের আচরণ, চলাফেরা, সামাজের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড, সমাজের বিভিন্ন গঠন মুলক বিষয় নিয়ে যে ব্লগ গুলোতে আলোচনা করা হয় সেগুলোকেই সামাজিক ব্লগ বলা হয় ।

কিভাবে ব্লগ তৈরী করব

অনেকের মধ্যেই একটি প্রশ্ন আসে কিভাবে ব্লগ তৈরী করব ? তাহলে প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে ব্লগ বা ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরি করে হয় । ব্লগ বা ওয়েবসাইট গুলি তৈরি করা হয় বিভিন্ন প্লাটফর্মের এর উপর। যেমন –ব্লগার প্লাটফর্ম, ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ইত্যাদি প্লাটফর্ম । আপনি প্রথমে ফ্রি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও ব্লগিং শুরু করতে পারেন। ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ভালো প্লাটফর্ম হলো ব্লগার। যেটি মূলত গুগলের একটি প্রোডাক্ট। একটি ডোমেইন ক্রয় করে ব্লগারে যোগ করে ব্লগিং করা শুরু করলে আপনি সেখান থেকে আয় করা শুরু করতে পারবেন।

ব্লগিং করতে কি কি প্রয়োজন

  • ব্লগিং করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি জিমেল একাউন্ট
  • একটি স্মার্টফোন বা পিসি এর সাথে ইন্টারনেট কানেক্শন। এক্ষেত্রে স্মার্টফোন থেকে যেকোনো সাধারণ ল্যাপটপ বা কম্পিউটার হলে বেশী ভালো হয়।
  • ব্লগিং ফ্রি তে করা গেলেও আমার সাজেশন থাকবে একটি কাস্টম ডোমেইন কিনে নেওয়া । নিজের একটি কাস্টম ডোমেইন থাকার অনেক ধরনের সুবিধা আছে। খুব কম টাকার মধ্যে এক বছরের জন্য যে কোনো ভালো টপ লেভেলের ডোমেইন কিনতে পারবেন।

ব্লগিং করার সুবিধা

  • Personal branding – ব্লগিং করার মাধ্যমে আপনি যেমন ভাবে নিজের ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের কাছে পৌঁছে যাবেন ঠিক তেমনি আপনার ওয়েবসাইটের আপনার নিজের একটি পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং তৈরি হবে। এখানে ব্রান্ডিং বলতে আপনি যে টপিকের ওপর লিখালিখি করেন, আপনার ভিজিটররা সেই টপিকে আপনাকে সেরা ভাববেন এবং যখনই গুগলে কোন ধরনের সার্চ করবে তখনই আপনার ওয়েবসাইটটিকে প্রেফার করবে ।
  • Technicality – ব্লগিং করার মাধ্যমে আপনি অনেকটা সময় টেকনোলজি র সঙ্গে যুক্ত থাকবেন যার কারনে আপনার টেকনোলজির বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধির পাশাপাশি, টেকনোলজি বিষয়ের যে কোন সমস্যার সমাধান খুব সহজে করতে পারবেন । আজকের দিনে দাঁড়িয়ে প্রযুক্তির ব্যাপারে জ্ঞান বৃদ্ধি করাটা খুবই বুদ্ধিমানের কাজ।
  • Lifestyle – ব্লগিং করার পরবর্তী ধাপে আপনি মোটামুটি ভালো একটা জায়গায় পৌঁছে যাবেন। যার ফলে আপনার জীবনযাত্রায় অনেকটাই পরিবর্তন আসবে। যে বিষয়টি সব সাকসেসফুল ব্লগারের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে।
  • Earning for Blogging – সঠিকভাবে ব্লগিং করার মাধ্যমে আপনি অনেক টাকা আয় করতে পারবেন যেটা আপনার জীবনের সব ক্ষেত্রে খুবই কাজে লাগবে। ব্লগিং থেকে যে উপার্জন হয় তা কিন্তু অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে অনেকটাই বেশি ।
  • Inspiration – একজন সাকসেসফুল ব্লগার সবসময়ই অন্যান্য ব্লগারের কাছে ইনস্পিরেশন হিসেবে কাজ করে। আপ্নিও যদি একজন সাকসেসফুল ব্লগার হতে পারেন তাহলে আপনার ক্ষেত্রেও সেইভাবে ইনস্পিরেশন তৈরি হবে ।
  • Carrier – আপনি যদি অন্য কিছু না করতে চান সেক্ষেত্রে ব্লগিং কে আপনি পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন অথবা এটি আপনার ব্যাকআপ প্ল্যান হিসেবে রাখতে পারেন।
  • Own Boss – আপনি বাড়িতে বসেই ব্লগিং করতে পারবেন এর জন্য আপনাকে কোথাও যেতে হবে না । আর সবচেয়ে বড় কথা হল আপনার বস আপনি নিজেই । আপনার যদি একদিন ছুটি নিতে ইচ্ছা করে তাহলে আপনি নিজের মত করে নিয়ে নিতে পারেন।

ব্লগিংয়ে সফল হওয়ার উপায়


প্রায় ৮০- ৯০% ব্লগার ৩ থেকে ৪ মাস কাজ করার পর কাজ করা বন্ধ করে দেয়ার কারনে তার ব্লগিং এর ক্ষেত্রে সফল হতে পারে না। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, ব্লগিংয়ে সফল হওয়ার মূল মন্ত্র কি? ব্লগিং করে সফলতা পাবার উপায় হলো, কেন আপনি অসফল হচ্ছেন সেই কারণ গুলো খুঁজে বের করা।

ভুল নিশ (wrong niche selection) বেছে নেওয়া -এটি ব্লগিং এ অসফল হবার অন্যতম একটি কারণ । অনেকে দ্রুত ইনকামের চক্করে পড়ে বা অন্য কারোর কথার উপর নির্ভর করে এমন একটি ভুল নিশ বা টপিক বাছাই করে ফেলে, যেটি নিয়ে কিছুদিন কাজ করার পর তারা কাজ করতে ব্যর্থ হয় এবং কিছুদিন পরে কাজ করা ছেড়ে দেয়।


নিয়মিত কাজ না করে যাওয়া, ব্লগিং এ অসফল হওয়ার আরো একটি প্রধান কারণ । অনেকেই কয়েক দিন কাজ করে আর কাজ করেন না বা বন্ধ করে দেন, কিন্তু এটি মোটেও উচিত নয় । ব্লগিং এর ক্ষেত্রে নিয়মিত কাজ করে যাওয়া ব্লগিং এ সফল হওয়ার অন্যতম মূলমন্ত্র ।

ব্লগিং বাংলায় করবো না ইংরেজিতে ?

আপনি যে ভাষায় বেশি পারদর্শী আপনি ব্লগিং এর জন্য সেই ভাষাটি নির্বাচন করুন। আপনি যদি ইংরেজিতে অনেক পারদর্শী হন এবং ভালো লিখতে পারেন তাহলে আপনি ইংরেজিতেই ব্লগিং করুন, কারণ এতে করে আপনার লেখা অনেক বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা থাকবে এবং আপনার অ্যাড নেটওয়ার্কের cpc অর্থাৎ অ্যাড এর টাকার পরিমান বেশী পাওয়া যাবে।

তুলনামূলক ভাবে বিবেচনা করলে বাংলা ব্লগের আয় ও ট্রাফিক সাধারনত কম হয়ে থাকে। কিন্তু তারমানে এটি নয় যে বাংলা ব্লগ থেকে আয় করা যায় না, সঠিক ভাবে কাজ করলে বাংলা ব্লগের মাধ্যমেও আপনি অনেক ভালো পরিমাণে অর্থ ইনকাম করতে পারবেন।

ব্লগিং করে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়

ব্লগ থেকে অথবা ব্লগিং করে কয়েকটি পদ্ধতিতে টাকা আয় করা যায় –

  • গুগল এডসেন্স (Google Adsence)–  আপনার ব্লগ গুগল অ্যাডসেন্স এর সাথে যুক্ত করার মাধ্যমে Google Adsence থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
  • এফিলিয়েট মার্কেটিং (Affilaiate Marketting)– আপনি আপনার ব্লগের ক্যাটাগরী অনুযায়ী বিভিন্ন প্রোডাক্টের এফিলিয়েট মার্কেটিং করে বা কমিশনের ভিত্তিতে অর্থ উপার্জন করতে পারেন ।
  • স্পন্সর পোস্ট (Sponshor Post) -আপনি আপনার ব্লগ সাইটে বিভিন্ন ধরনের Sponshor Post করে, সেখান থেকেও একটি ভালো পরিমানের টাকা ইনকাম করা সম্ভব ।
  • ব্যাকলিঙ্ক Backlink Selling – আপনার  ব্লগ ওয়েবসাইটে অন্য কোন ব্যক্তির ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া (Backlink) থেকেও আপনি ভালো পরিমানে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

ব্লগিং করে কত টাকা ইনকাম করা যায় ?

ব্লগিং করে কত টাকা ইনকাম করা যায় এটি জানার জন্য একটি ছোট হিসেবে করা যাক, আগেই বলে নেই হিসাব টি কিন্তু পুরোপুরি accurate না ।

ধরুন , আপনার ব্লগ বা website এ প্রত্যেক দিন ৩০০০ ভিসিটর আসে। এখন বাংলা ব্লগের সিপিসি গড়ে সাধারনত ০.০৫ হয়ে থাকে ,সুতরাং আপনার যদি প্রাথমিক অবস্থায় যদি প্রতি ২৫ জনে একটি ক্লিক হয় তাহলে প্রত্যেক দিন আপনার ক্লিক হবে ৩০০০/২৫=১২০ টির কাছাকাছি ।

তাহলে প্রতি মাসে ক্লিকের সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১২০*৩০=৩৬০০ টার মতো । তাহলে প্রতি মাসে ইনকাম হবে প্রায় ৩৬০০*০.০৫ =১৮০ ডলার অর্থাৎ ১৮০ * ৮৩ =১৪৯৪০ টাকার মতো।

কিন্তু আপনি যদি ঠিক ভাবে এবং নিয়মিত কাজ করেন তাহলে আপনার ব্লগে ভিসিটর বা ট্রাফিক বাড়বে এবং আপনি আরো অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। ইংলিশ ব্লগে এই পরিমান ভিসিটরে আপনি এর থেকেও প্রায় কয়েক গুন বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন (How to start bloging Bangla)

  • ব্লগের জন্য নিশ নির্বাচন করুন
  • ওয়েবসাইটের জন্য ছোট নাম সিলেক্ট করুন এবং ডোমেইন নিন
  • ব্লগিং করার জন্য প্লাটফর্ম নির্বাচন করুন
  • ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন, হোস্টিং কিনুন
  • ভালো ইউনিক আর্টিকেল বা পোস্ট লিখুন
  • আপনার আর্টিকেলটি কে ভালোভাবে এসইও করুন (অফ পেজ এবং অন পেজ এস ই ও)
  • আপনার আর্টিকেল টি গুগলে জমা দিন বা ইনডেক্স করুন
  • গুগল এডসেন্স এর জন্য আবেদন করুন এবং আয় করা শুরু করুন

কোন বিষয় নিয়ে ব্লগিং করা উচিৎ ?

ব্লগিং শুরুর করার প্রথম ধাপেই কোন বিষয়ের নিয়ে ব্লগিং করবেন এটা ঠিক করে নেওয়া খুবই গুরুত্ব পূর্ণ একটি কাজ কারণ এই বিষয় নির্বাচনের উপর নির্ভর করবে আপনার ভবিষ্যতের ব্লগিং ক্যারিয়ারের সফলতা । অনেক ব্লগার অথবা বলা যায় বেশীরভাগ ব্লগার এই খানেই ভুল করে ফেলে। ব্লগিং এর ক্ষেত্রে অনেক ধরনের বিষয় বা নিশ রয়েছে, যেমন –

  • স্বাস্থ্য নিশ – Health
  • নিউজ – News
  • অনলাইনে টাকা ইনকাম – Make Money Online 
  • গ্যাজেট রিভিউ – Gadget Review
  • শিক্ষা – Education 
  • ক্রিপ্টকারেন্সি – Cryptocurrency

ব্লগিং এর ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি নিশের আবার অনেক গুলো micro niche বা সাব নিশ থাকে। যেমন – Education এর সাব নিশ হতে পারে যে কোনো সাবজেক্ট যেমন জীব বিজ্ঞান হতে পারে বা পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি।

ব্লগিংয়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কিছু বিষয় বা নিশ

  • টিপস অ্যান্ড ট্রিক্স
  • কম্পিউটার প্রোগ্রামিং
  • রেসিপি ব্লগিং
  • গ্যাজেট রিভিউ
  • ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল ব্লগিং
  • হেলথ অ্যান্ড এক্সারসাইজ টিপস
  • ভাষা শিক্ষা ব্লগ
  • অনলাইন ইনকাম

আশা করছি উপরের আলোচনা থেকে ব্লগিং সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারনা পেয়েছেন । আর যদি ভাবেন ব্লগিং করার জন্য এত কিছু করতে হবে তাহলে বলবো যে এসব বিষয় গুলো তেমন কঠিন কিছু না । আপনি যদি সামান্য ধারণা পেয়ে যান তাহলে এই সব বিসয়গুল খুব সহজেই করে ফেলতে পারবেন।

বিডিটেকটিউনার

Share on:

আমি অঞ্জন, এই সাইটটির প্রতিষ্ঠাতা। এই ব্লগে টিপস & ট্রিকস, অনলাইন ইনকাম, কম্পিউটার সমস্যা সমাধান সহ আরো অনেক কিছুর উপর সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দেওয়া হয়।

Leave a Comment