ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর উপকারিতা

ভিটামিন ই ক্যাপসুল, আমাদের ত্বক, মুখ এবং চুলের জন্য খুবই উপকারী । ভিটামিন ই ক্যাপসুলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা চুল, মুখ এবং ত্বককে স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে । ভিটামিন-ই, ত্বক ও চুলের যত্নে অত্যন্ত উপকারী । ভিটামিন ই ক্যাপসুলগুলিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা আমাদের ত্বক এবং চুলকে ভাল রাখতে সহায়তা করে । ভিটামিন ই ক্যাপসুল যে কোন মেডিকেল স্টোরে সহজেই কিনতে পাওয়া যায় । ভিটামিন ই ক্যাপসুলের ভেতরে থাকা তেল, ত্বক, মুখ ও চুলে লাগালে অনেক ধরনের উপকার পাওয়া যায় । এর ব্যবহারে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় এবং চুল মজবুত হয় । এছাড়াও এটি ঠোঁটে ব্যবহার করলে, ঠোঁট ফাটা দূর হওয়ার সাথে সাথে ঠোঁট নরম এবং চকচকে হয় । আজকের আর্টিকেলে আমরা আপনাদের সাথে, ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর উপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব ।

ভিটামিন ই কেন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

ভিটামিন ই ক্যাপসুল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ । অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি হল এমন পদার্থ, যা আমাদের কোষকে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে । আমরা যখন ধূমপান করি বা সূর্যের বিকিরণের সংস্পর্শে আসি, তখন শরীরের খাবার ভেঙ্গে কিছু অণু তৈরি হয়, এই অণুগুলোকেই ফ্রি র‍্যাডিক্যাল বলে ।

ভিটামিন ই অনেক ধরনের যৌগ ধারণ করে । এই যৌগগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশী সক্রিয় যৌগ হল আলফা টোকোফেরল । এই যৌগ আমাদের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী । এছাড়াও এই ভিটামিন শরীরের ক্ষত মেরামত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে ।

আরও পড়ুনঃ কালোজিরার উপকারিতা, ব্যবহার এবং অসুবিধা

ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর উপকারিতা

আর্টিকেলের উপরের অংশে আমরা আপনাদের সাথে, ভিটামিন ই কেন স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে আলোচনা করেছি । আর্টিকেলের পরবর্তী অংশে ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর উপকারিতা এবং কিভাবে ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়ে আপনাদের তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করব ।

চুলের জন্য – ভিটামিন ই ক্যাপসুল, চুলকে লম্বা, ঘন, মজবুত এবং চকচকে করতে সহায়তা করে । ক্যাস্টর অয়েলের সাথে, ১ টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগান । এটি আপনার শুষ্ক চুলকে পুনরুজ্জীবিত করবে এবং চুল ঘন করবে । এছাড়াও চুলের ডগা বিভক্ত হয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকেও মুক্তি দেবে । ভিটামিন ই এর ন্যাচারাল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে । এই ভিটামিনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং ফ্রি র‍্যাডিক্যাল কমাতে সহায়তা করতে পারে, যা আমাদের মাথার ত্বকের চুলের ফলিকল কোষগুলিকে ভেঙে দেয় ।

শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা প্রদান করে – ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ভিটামিন-ই খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে । ভিটামিন-ই, ত্বকের কোষের পুনর্জন্মে সহায়তা করে । এজন্য আপনি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করে বাড়িতে একটি লোশন প্রস্তুত করতে পারেন । লোশন তৈরি করার জন্য, ৫ থেকে ৬ টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের ভেতরে থাকা তেল, ২ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং ১২ থেকে ১৫ ফোঁটা গোলাপ জল ভাল করে মিশিয়ে নিন । এবং তারপর এই মিশ্রণটি একটি বোতলে বা যে কোনও খালি ক্রিমের কৌটাতে রাখুন । প্রতিদিন দুবার করে এই লোশনটি আপনার ত্বকে ব্যবহার করুন ।

সোরিয়াসিসের চিকিৎসায় – সোরিয়াসিস এবং একজিমার মতো চর্মরোগের চিকিৎসা ভিটামিন ই ক্যাপসুল দিয়ে করা হয় । এর জন্য আপনাকে, প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে আক্রান্ত জায়গায় ভিটামিন ই ক্যাপসুলের ভেতরে থাকা তেল লাগাতে হবে ।এবং পরের দিন সকালে আক্রান্ত জায়গাগুলো পরিষ্কার পানি দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে ।

ঠোঁটের জন্য – এটি ফাটা এবং শুষ্ক ঠোঁটকে নরম এবং মসৃণ করে তোলে । হাফ চা চামচ লেবুর রসের সাথে ২ থেকে ৩ ফোঁটা ভিটামিন ই তেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন । রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি আপনার ঠোঁটে লাগান । এছাড়াও পেট্রোলিয়াম জেলের সাথে ভিটামিন ই তেল মিশিয়ে শুকনো এবং ফাটা ঠোঁটে ইউজ করতে পারেন ।

বলিরেখা দূর করতে – ভিটামিন ই মুখের বলিরেখা কমাতে সহায়তা করে । এর ফলে বয়সের প্রভাব কম বোঝা যায় । এটি শরীর এবং ত্বকের বার্ধক্য প্রক্রিয়া কমাতে সহায়তা করে । এটি প্রোটিন কোলাজেনের মৌলিক উৎপাদন বাড়ায়, যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখতে সাহায্য করে । চোখের চারপাশের ত্বক পাতলা এবং সূক্ষ্ম হওয়ার কারণে বার্ধক্যের লক্ষণগুলি প্রথমে চোখের চারপাশেই দেখা যায় । একটি পাত্রে ২ টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল নিয়ে, তাতে ৫-৬ ফোঁটা অলিভ অয়েল যোগ করে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন । এরপর রাতে ঘুমানোর আগে চোখের চারপাশের ত্বকে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে ঘুমিয়ে যান । আপনি চাইলে ব্রণ দূর করতে সরাসরি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল ব্রণের মাথায় ব্যবহার করতে পারেন । 

রোদে পোড়া থেকে ত্বক প্রতিরোধ করতে – আপনার ত্বক যদি সংবেদনশীল হয় এবং রোদে পোড়ার প্রবণতা বেশী থাকে, তবে ভিটামিন ই তেল আপনার উপকারে আসতে পারে । ভিটামিন ই তেলের ময়শ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্যের কারণে, এটি শুষ্ক এবং ফ্ল্যাকি ত্বকের সমস্যা দূর করতে পারে । অতিরিক্ত রোদে থাকার কারণে, যদি আপনার ত্বক পুড়ে যায় বা চুলকায়, তাহলে আপনি একটি কুলিং ক্রিমের সাথে ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে ইউজ করতে পারেন । তবে রোদে বের হওয়ার আগে ভাল মানের সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত ।

নখ ভাল রাখতে – সারাদিন কাজ করার ফলে নখের উপর খুব খারাপ প্রভাব পড়ে যেমন: অনেক সময় নখ ভেঙে যায়, নখ থেকে খোসা ছাড়ে এবং নখ হলুদ হয়ে যায় । এমন পরিস্থিতিতে, ভিটামিন ই ক্যাপসুলের ভেতরে থাকা তেল দিয়ে নখের কিউটিকল এবং নখের চারপাশের ত্বকে হালকা ভাবে ম্যাসাজ করুন । ভিটামিন ই তেলের হাইড্রেটিং বৈশিষ্ট্য, নখের আশেপাশের ফাটা কিউটিকল এবং শুষ্ক ত্বক ঠিক করে নখের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে ।

ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে – ভিটামিন ই শরীরের ব্লাড সার্কুলেশন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং চুলের ফলিকলে রক্ত ​​​​সরবরাহ বৃদ্ধি করে যার ফলে চুল দ্রুত বৃদ্ধি পায় ।

চুল নরম ও চকচকে করতে – আমরা অনেকেই স্টাইলিং এর জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ব্যবহার করে থাকি । এগুলোর বেশীরভাগ পণ্যই আমাদের চুলের জন্য ক্ষতিকর । এমন অবস্থায় ভিটামিন ই ক্যাপসুল চুলের সুরক্ষার একটি অতিরিক্ত স্তর প্রদান করে ।ভিটামিন ই তেল, একটি শক্তিশালী স্ক্যাল্প অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং চুলের হাইড্রেটর হিসেবে কাজ করে, যা আমাদের মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে, চুলের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে, চুলকে মজবুত করে এবং চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে ।

ডার্ক সার্কেল কমাতে – ভিটামিন ই ক্যাপসুল চোখের নিচের কালো দাগ কমাতে সাহায্য করে । এই প্রতিকারের জন্য, আধা চা চামচ বাদাম তেলের সাথে ১ টি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল ভাল করে মিশিয়ে নিন । এরপর এই মিশ্রণটি ডার্ক সার্কেলের উপরে লাগান । ভাল ফলাফল পাওয়ার জন্য এই মিশ্রণটি ডার্ক সারকেলের উপর সারারাত রেখে দিন । এটি মুখের কালো দাগ কমাতেও সাহায্য করে ।

ফ্রেকলস দূর করতে – ফ্রেকলস এর অর্থ হল স্কিন টোনে অমসৃণতা । এই সমস্যাটি সমাধান করতে ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল সাহায্য করতে পারে । এর জন্য ক্যাস্টর অয়েলের সাথে ভিটামিন ই এর ২-৩ টা ক্যাপসুল মিশিয়ে যেখানে দাগ আছে সেখানে লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন । এইভাবে ১ মাস নিয়মিত ব্যবহার করার পর আপনি ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পাবেন ।

ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক – একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভিটামিন ই ক্যাপসুল গ্রহণ করলে ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায় ।

ক্ষত নিরাময়ে – ভিটামিন ই ক্যাপসুল ক্ষত নিরাময় করতে সহায়তা করে । ক্ষত হলে তাতে ভিটামিন ই তেল লাগালে, এটি ক্ষত দ্রুত নিরাময় করতে সাহায্য করে ।

স্ট্রেচ মার্ক কমাতে সাহায্য করে – স্ট্রেচ মার্ক দেখতে অনেক অদ্ভুত লাগে, যা কেউই পছন্দ করে না । এটি, ত্বক হঠাৎ করে অত্যধিক প্রসারিত হওয়ার কারণে দৃশ্যমান হয় । এটি সাধারণত গর্ভাবস্থার সময় এবং হঠাৎ করে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির কারণে ঘটে । স্ট্রেচ মার্কগুলিতে ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল লাগালে স্ট্রেস মার্ক হালকা হয়ে যায় ।

ক্লিনজিং এজেন্ট – এটি ত্বকের মধ্যে জমা ময়লা এবং অমেধ্য গভীরভাবে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে । সেই সাথে এটি মুখের তেলের ভারসাম্যও বজায় রাখে । একটি পরিষ্কার তুলা নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা ভিটামিন ই তেল নিন এবং আপনার পুরো মুখে হালকা করে ঘষুন ।

আরও পড়ুনঃ যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়

ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়ার উপকারিতা

  • চুল, হার্ট, ত্বক, হাড় এবং পেশী সুস্থ রাখতে এবং এই অঙ্গগুলির কার্যকারিতা ঠিক রাখার জন্য ভিটামিন ই অপরিহার্য । 
  • রক্তের লোহিত কণিকা তৈরি করতে ভিটামিন ই অপরিহার্য । 
  • ভিটামিন ই আমাদের শরীরে ভিটামিন কে, ভিটামিন এ, আয়রন এবং সেলেনিয়ামের সঠিক মাত্রা বজায় রাখে । 
  • ভিটামিন ই শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, যা আমাদের অনেক ধরনের রোগ থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে । 
  • ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেলে নখ ভাল থাকে এবং নখের গোড়ায় কোনো ধরনের শুষ্ক বা ফাটা কিউটিকল থাকে না ।
  • ১৪ বছরের বেশি বয়সী এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য প্রতিদিন গড়ে ১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই প্রয়োজন ।
  • একজন স্তন্যদানকারী মায়ের প্রতিদিন গড়ে ১৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন ই গ্রহন করা উচিত । নবজাতক এবং ছোট শিশুদের জন্যও ভিটামিন ই প্রয়োজন ।
  • বাজারে অনেক কোম্পানির ভিটামিন ই ক্যাপসুল পাওয়া যায়, যেগুলো আপনি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহন করতে পারেন । 

ভিটামিন ই ক্যাপসুল এর অসুবিধা

ভিটামিন ই ক্যাপসুল আমাদের শরীরের জন্য অনেক দিক থেকে উপকারী, কিন্তু এর ব্যবহারের ফলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে । আপনি যদি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার বা গ্রহনের ফলে নিচে দেওয়া কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হন তাহলে একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন –

  • ডায়রিয়া
  • পেটে ব্যথা
  • ক্ষত বা রক্তপাত
  • ক্লান্তি
  • অস্বাভাবিক দুর্বলতা
  • মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা
  • হালকা ফুসকুড়ি
  • দৃষ্টি পরিবর্তন
  • বমি বমি ভাব

ভিটামিন ই ক্যাপসুল খাওয়ার আগে সতর্কতা

রক্ত পাতলাকারী এবং অন্যান্য ওষুধ সেবনকারী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ই সাপ্লিমেন্ট গ্রহন ক্ষতিকারক হতে পারে । কোন সম্পূরক গ্রহণ করার আগে অবশ্যই একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া উচিত । সব সময় ১০০% ভিটামিন ই তেলযুক্ত ক্যাপসুল ইউজ করুন । আপনি যদি আপনার সুবিধামতো ক্রিম, ফেসপ্যাক বা লোশনে মিশিয়ে, আপনার বাড়িতে এটি ইউজ করতে চান, তাহলে অবশ্যই একটি ভাল পণ্যের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করুন ।

শেষ কথা

আপনার চুল এবং মুখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করতে পারেন । আর্টিকেলের উপরের অংশে আমরা আপনাদের সাথে, কিভাবে মুখে ভিটামিন ই ক্যাপসুল লাগাতে হয় সে সম্পর্কে বলেছি । এই ভিটামিন, আমাদের শরীরের সৌন্দর্য এবং শরীরের স্বাস্থ্য উভয়ের জন্যই অত্যন্ত উপকারী । আর্টিকেলটি নিয়ে যে কোন ধরনের প্রশ্ন বা মন্তব্য থাকলে কমেন্ট সেকশনে জানান ।

Share on:

আমি অঞ্জন, এই সাইটটির প্রতিষ্ঠাতা। এই ব্লগে টিপস & ট্রিকস, অনলাইন ইনকাম, কম্পিউটার সমস্যা সমাধান সহ আরো অনেক কিছুর উপর সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দেওয়া হয়।

Leave a Comment